
ধূসর সড়ক!
ধুলোয় ধূসর নলাম-বাইশমাইল সড়ক। একজন রিকশাচালক জানান, বেশ কয়েকদিন ধরেই এই অবস্থা। অনেকে ধুলোর জন্য এ পথে আসতে চায় না। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে দায়িত্বশীলদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অন্তত প্রতিদিন দুই বেলা করে রাস্তায় পানি দেওয়া যেতে পারে। এ পথে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাই বেশি আসা-যাওয়া করে থাকেন।
মো. রাকিবুল হাসান, মির্জানগর, সাভার, ঢাকা ১৩৪৪
া
হোল্ডিং নাম্বার ও ট্যাক্স
আদায়ের নামে বাণিজ্য
বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বা ব্যক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড ও গ্রামে চলছে বাড়ির হোল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট ও হোল্ডিং নাম্বার প্লেট প্রদানের কাজ এবং বকেয়া ট্যাক্স আদায়। এতে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, স্থানীয় সরকারের আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের পরপরই নামে-বেনামে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে বলেন যে, তাঁদের সংস্থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী/উপমন্ত্রী/সচিব অনুমোদন দিয়েছেন হোল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট কাজ সম্পন্ন বা বকেয়া টাক্স আদায় করার জন্য। এর পর দেখা যায়, ওয়ার্ড ও এলাকায় মাইকিং করে গ্রামপুলিশ সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বকেয়া ট্যাক্স কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায় করে। জায়গা-জমি, ছেলেময়ে, অবস্থান জরিপ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নামে ও হোল্ডিং নাম্বার প্লেট বাবদ ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। ট্যাক্স আদায় চুক্তিতেও একই অবস্থা! তাদের দেওয়া হোল্ডিং নাম্বার নিয়ে সেবার জন্য ইউপিতে গেলে মেলে না কোনো সেবা। বলা হয়, এই হোল্ডিং নাম্বার ইউপি রেকর্ডে থাকা হোল্ডিং নাম্বারের সঙ্গে মিল নেই। অধিকাংশ ইউপিতে প্রতি পাঁচ বছর পরপর তিনবার হোল্ডিং নাম্বারের নামে বাণিজ্য শুরু হয়, এটা জনগণকে ধোঁকা দেওয়া ছাড়া কিছু নয়। আশা করি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিগণ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।
মোহাম্মদ ছৈয়দুল আলম
বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
যৌতুক কেড়ে নিল প্রাণ
যৌতুক প্রথা নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশের আইন-১৯৮০ তৈরি হলেও সমাজে নেই এর যথাযথ প্রয়োগ। শুধু সরকার নয়, জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। এই ব্যাধি ভাইরাসের চেয়ে ভয়ংকর। এটি সমাজের শিক্ষিত, অশিক্ষিত, উচ্চ শ্রেণি ও নিম্ন শ্রেণি সকল স্তরে বিদ্যমান। সম্প্রতি যৌতুককে (গহনা) কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া কুড়িগ্রামের নির্মম সংঘর্ষ গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঐ ঘটনায় এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। এই অভিশাপ থেকে প্রতিকারের উপায় স্বরূপ আমাদের সামাজিক শিক্ষা, সচেতনতা এবং আইনের সঠিক নজরদারি বৃদ্ধির বিকল্প নেই।
মোহাম্মদ আল-আমিন
শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
ইনডেক্সধারীদের আবেদন
করার সুযোগ দিন
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চতুর্থবারের মতো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এই গণবিজ্ঞপ্তি শিক্ষকতায় আসতে চাওয়া নিবন্ধিতদের জন্য সুখবর বটে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের যেহেতু বদলির ব্যবস্থা চালু নেই, তাই এতদিন ইনডেক্সধারী শিক্ষকেরা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে আসতে পারতেন। এবার চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ মুহূর্তে এসে কর্তৃপক্ষ সেই সুযোগ রহিত করেছেন। এতে বেকার নিবন্ধিত প্রার্থীদের চাকরি খরা কাটবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক-শূন্যতা প্রশমিত হবে। ইনডেক্সধারী শিক্ষক যাঁরা নিজ বাড়ি থেকে অনেক দূরের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন, তাঁদের দুর্দশা লাঘব হবে না। ১০০০ টাকা বাড়িভাড়া সুবিধাপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ১২০০০ টাকা বেতন দিয়ে দূরের কোনো জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার যে যন্ত্রণা, সেই যন্ত্রণার কাল আরো দীর্ঘায়িত হবে। এছাড়া যেসব ইনডেক্সধারী শিক্ষক আগের যে কোনো নিবন্ধন পরীক্ষার চেয়ে ১৬তম নিবন্ধন পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় ওপরের দিকে এসেছিলেন, তাঁরা তাঁদের সেই বেশি নম্বর কোনো কাজে লাগাতে পারবেন না। ভালো নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও, ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকতে না পারার মতো বঞ্চনা আর কী হতে পারে? ইনডেক্সধারীদের নতুন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হলে, আগের প্রতিষ্ঠানের ঐ পদকে শূন্য ঘোষণা করে দ্বিতীয় ধাপে অন্য একজন আবেদনকারীকে সেই প্রতিষ্ঠানে একই পদে সুপারিশ করা হোক। এতে ইনডেক্সধারীদেরও অসুবিধা ঘুচবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্যপদও থাকবে না।
জমাতুল ইসলাম পরাগ
ভুক্তভোগী নিবন্ধিত শিক্ষক, কিশোরগঞ্জ
লেখা আহ্বান
৭০ বছর ধরে বহমান সময়ের সাক্ষী দৈনিক ইত্তেফাক। এ সময়ের মধ্যে পালটেছে রাজনীতি, ইতিহাস ও প্রযুক্তি। কী ভাবছেন, যারা এই লম্বা সময়টি দেখেছেন? কী ভাবছে নতুন প্রজন্ম? লিখে পাঠান ৫০০ থেকে ১০০০ শব্দের মধ্যে। ছাপা হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ সংখ্যায়। লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২২। লেখার সঙ্গে ছবি ও মোবাইল ফোন নম্বর দিন।
লেখা পাঠানোর ইমেইল : [email protected]
0