গেলী ব্যাটারি কারখানার কালো ধোঁয়া ও বর্জ্য

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভার ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনস্থল কেওয়া পূর্ব খণ্ড গ্রামের ভাংনাহাটী বাইদে গড়ে তোলা হয়েছে গেলী ব্যাটারি কারখানা। এই কারখানায় বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি তৈরি করা হয়।  কারখানার চিমনি দিয়ে প্রতিনিয়ত উদগীরণ হচ্ছে কালো ধোঁয়া। এই ধোঁয়া আশপাশের বাতাসকে মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। শুধু ধোঁয়া নয়, কারখানায় উত্পাদিত ব্যাটারির বর্জ্য অ্যাসিড ও তরল বর্জ্য আশপাশের মাটি, পানি ও প্রাকৃতিক পরিবেশকে দূষিত করে চলেছে। গেলী কারখানার ঠিক ২০০ গজের মধ্যেই অবস্থিত কেওয়া পূর্ব খণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে সাত শতাধিক ছাত্রছাত্রী অধ্যয়ন করছে। এই সব ছাত্রছাত্রী প্রায় সময়ই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভোগে। এই কারখানার কালো ধোঁয়া, তরল বর্জ্য ও অ্যাসিডের কারণে আশপাশের পরিবেশ আজ হুমকির সম্মুখীন। স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কারখানাটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গ্রহণ ও কালো ধোঁয়া নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। আশা করি, পৌর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট মহল এগিয়ে আসবেন।

কামরুজ্জামান, শ্রীপুর, গাজীপুর

বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিক পরিবহনের জন্য চালু করা হোক

বগুড়া একটি শিল্প ও বাণিজ্যিক শহর। গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের কারণে এর সড়কপথ ও রেলপথের সঙ্গে আকাশপথের যোগাযোগও উন্নতমানের হওয়া উচিত ছিল। বগুড়া শহরের ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত বগুড়া বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের ধরন সর্বসাধারণ হাওয়া সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে বিমানবন্দরের সুবিধা থেকে। ২০০০ সালে বাণিজ্যিকভাবে বিমান পরিবহনের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। জরুরিভাবে বিমানসেবা গ্রহণ করতে বগুড়াবাসীকে যেতে হয় অন্যান্য জেলায়, বিমানবন্দর থাকা সত্ত্বেও। তাই বগুড়া বিমানবন্দর যথাসম্ভব মেরামত করে দ্রুত চালু করা উচিত।

মোমিন ইবনে দ্বীন            

শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

স্বাস্থ্য খাতে সেবার

মান ও নিরাপত্তা

সরকারি উদ্যোগে প্রতিটি উপজেলায় ‘উপজেলা হাসপাতাল’-এর পাশাপাশি জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে নির্মিত হয়েছে আরো অসংখ্য হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ। তবে এতগুলো হাসপাতাল থাকার পরও আর্থিক সংকটের কারণে এগুলোর সুফল পাচ্ছে না দরিদ্র ও প্রান্তিক শ্রেণির লোকজন। অর্থের অভাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের যেতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে। এক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত সেবা পাওয়া গেলেও, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিত্সক ও যন্ত্রপাতির অভাব কিংবা নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিত্সকের কর্মক্ষেত্রে না থাকা জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে অচিরেই তারা বেসরকারি হাসপাতালগুলোর উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তাদের ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবার বিপরীতে গুনতে হচ্ছে প্রকৃত মূল্যের ২ থেকে ৩ গুণ টাকা। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখিও হচ্ছে। উপরন্তু ভুল চিকিত্সায় শিকার অনেকেই। পরিস্থিতি বিবেচনায়, দেশের স্বাস্থ্যখাত ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে জনমনে আস্থা তৈরিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সাইফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

অন্ধকারে মধুপুর

দিন-রাতের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুত্ বিহীন থাকছে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা। আশেপাশের উপজেলাসহ সারা দেশে বিদ্যুত্ সরবরাহ ভালো থাকলেও মধুপুরে চলছে লোডশেডিংয়ের তা্লব। লোডশেডিংয়ের ফলে বিপর্যস্ত জনজীবন; সেহেরি ও ইফতার সারতে হচ্ছে অন্ধকারে। পল্লীবিদ্যুত্ সমিতি সেহেরি ও ইফতারে দীর্ঘসময় বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ রাখছে। তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থরা আরো অসুস্থ হচ্ছে। উপজেলা হাসপাতালে গরমের কারণে অসুস্থ রোগীদের ভিড় বাড়ছে। রাতের অধিকাংশ সময় বিদ্যুত্ না থাকায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। অন্যদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয় কলকারখানা থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো সময় যদিও বা বিদ্যুত্ থাকে তখন ১৫ থেকে ২০ বার লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। সমস্যাটির সমাধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. আল-আমিন

মাস্টারপাড়া, মধুপুর, টাঙ্গাইল