সিসিএনএফ-ইক্যুইটিবিডির বিবৃতি

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই

সমাধান এখনো অধরা

রয়ে গেছে

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের, বিশেষ করে ধনী দেশগুলোর ‘দ্বিচারিতার’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কক্সবাজার সিএসও এবং এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি)। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত বর্বর জাতিগত গণহত্যার ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। গত ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সামরিক জান্তার গণহত্যা ও নৃশংস নির্যাতন থেকে বাঁচতে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। ঐ ঘটনার ষষ্ঠতম বছর উপলক্ষ্যে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, ছয় বছর হয়ে গেলেও সংকটের টেকসই        পৃষ্ঠা ৬ কলাম ৫

রোহিঙ্গা সংকটের

১৬ পৃষ্ঠার পর

সমাধান এখনো অধরা রয়ে গেছে। নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন বাঁচাতে সীমান্ত খুলে দিয়ে এবং তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব জুড়ে মানবতার একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বাংলাদেশ। এই সংকটের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না হলেও প্রকারান্তরে সংকটটির দায়ভার এখন বাংলাদেশের ওপর এসে পড়েছে। সংকট মোকাবিলায় তেমন কোনো ভূমিকা পালন না করেও, এর জন্য দায়ী মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলেও অনেক দেশ এবং সংস্থা ক্রমাগত নানাভাবে বাংলাদেশের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। সিসিএনএফ এবং ইক্যুইটিবিডি এ ধরনের চাপ প্রয়োগের প্রবণতার তীব্র প্রতিবাদ জানায়। বিবৃতিটিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, বেশ কিছু সদস্য রাষ্ট্রের নেতিবাচক ভূমিকার কারণে জাতিসংঘ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণে ভীষণভাবে ব্যর্থ হচ্ছে। এই ধরনের ব্যর্থতা বিশ্ব শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিবৃতিতে রোহিঙ্গা কর্মসূচিতে ক্রমাগতভাবে অর্থায়ন কমে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, গত জুন পর্যন্ত ২০২৩ সালের জন্য ২৪.৬ শতাংশ সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কমানো হয়েছে পরিবার প্রতি খাদ্য বরাদ্দ। অবিলম্বে সমিন্বত বৈশ্বি্ক পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি তহবিল প্রদান, নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য কূটনৈতিক চাপ এবং মিয়ানমার সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়